পিয়ানো

মাংসে উপগত কীট মাঝেমাঝে ভুলে যায় খাদ্যের সীমানা 
নিজেকে চিবিয়ে ফেলে, ভাবে, এতো সহজ সন্নিধি
এই যে ক্ষণিক মৃত্যু, একে তুমি তুচ্ছ করো, দাও হেলাফেলা 
মানুষ যেভাবে পোড়ে রম্যমুহূর্তটি ঘিরে, আজন্মকালীন

লোকে বলে ডাকিনী মানুষী; তার আঙিনার তুলসীহীনতা
অঙ্কুর কুসুমে ডাক, আঙুলের গর্ভকোষে ফুটে ওঠে ফুল 
ধীরে ধীরে পিয়ানোয় কে না বাঁশি বড়াই লো মাধবীমূর্চ্ছনা
কে ডেকেছে আয় আয় প্লুতস্বরে কুয়াশায় নেপথ্য বাঘিনী

মনের গভীরে তার ব্যধ বসে ব্যবহার্য যন্ত্রণার মতো
রাতের সুতীব্র শস্য ছিঁড়েখুঁড়ে তুলে নেয় মালিকানাহীন 
তারপর কে দেখেছে ক্ষুধা ও খাদ্যের সেই  আছাড়িপিছাড়ি 
অস্থির ব-দ্বীপ বুকে মায়াবী মন্ত্রের মতো জাগে বাঁকা চাঁদ 

এই যে দৈনিক মৃত্যু, কে না বাঁশি, কে না বাঁশি বাএ বড়াই লো
ক্রমশঃ আঙুলে তার পিয়ানোর মতো কোনো দীর্ঘকবিতা

Comments

Popular Posts