দৈন্যকথা
মায়ের কথার জন্য আমাকে যখন প্রথমবার গোড়ালি ধরে উলটো করে ঝোলানো হয়েছিল, আমি তখনও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলেছিলাম জলশব্দ দাও, দুধডাক দাও।
মা তখন মন দিয়ে পড়ছিলেন কথামৃত, অঘটন-কথা।
পরেরবার, আমি বোনের চুলের সঙ্গে নিজেকে বেঁধে শুয়েছিলাম, সে রাত্তিরে কাঁকড়ার মতো বাট বায় আর অযুত শব্দ বলে যেন অর্ধমাত্রা, মাত্রাহীন, সুবর্ণশ্যেনের তীরবিদ্ধ, নিপাতিত পালক।
আমাদের ভাইরা সেই সনাভ গ্রন্থি কেটে দিয়ে আমার উন্মনা পাখি পিঞ্জরে লুকালো।
আমারও তো ক্লান্ত লাগে, বলো?
ভাষা ভাষা ভাসা অবভাস।
এই আমাদের টবের জীবন।
এই সব ছাত, সন্ধ্যামণি, বড়ি আর মাদুরের ছাত
টপকে, নামাবলী ছিঁড়ে,
বাটির গভীরে সেই মুখ দেয় অমোঘ বেড়াল।
৩০/১১/২০১৭
Comments