লীলাবালি ১১ রুদ্রাণী
হাতে যা নিয়েছি তাকে ভিক্ষাপাত্র ভেবেছিলে বুঝি?
দেখো চেয়ে, এ খর্পরে তাম্রগন্ধ সদ্যোযাতযাম
রক্তের বুদ্বুদগুলি অঙ্গে অঙ্গে কেমন মূর্চ্ছনা
এ নহে কুঙ্কুমদাগ, রতিস্বেদ সুঘ্রাণে স্বকামে
চীরবাস ছেড়েছি সে শীতমাত্রে শীৎকারমালা
কণ্ঠে জেগেছিল নাগ, সুললিতা সাপিনীগর্জন
অপাপবিদ্ধা এই মোহরাত্রি যে আন্ধারে জ্বলে
শরীরে জেনেছ যাকে বুঝেছিলে মন অস্নাবির?
বোঝোনি, বোঝো না কিছু, দীপশিখা ভেবে পুড়ে যাও
মুমূর্ষু পতঙ্গদল, প্রজ্জ্বলিত এই হুতাশনে
বীভৎস বহ্নিমুখে সখী বোন জায়া ইত্যাকার
অথবা জননী নাম আর্তস্বর দিয়েছি আহুতি
আমিই চণ্ডালী, নহি নওলকিশোরী, নহি রাই,
দ্যাখ্ , আমি দিনে রাতে দুইখানি মস্তক চিবাই
Comments