The Constant Gardener
কাঁকর?
বলো।
তুই কি ফিরবি?
না।
কেন রে?
কেন ফিরবো? কোথায় ফিরবো? কার কাছে?
এই যে ঘরটায়। ইচ্ছাকুটুমের ঘর।
না। ফিরবো না। কোনওদিন না।
কেন?
আবার কেন! আমার ইচ্ছে। যেখানে স্নেহ নেই ভালোবাসা নেই মায়াদয়া নেই কিছু নেই, সেখানে কেন ফিরবো বলো তো?
তোর ঘর বলে।
কোনটা আমার ঘর? চলো, আজ কিছু দেনাপাওনার হিসেব করা যাক। আমি কী দিয়েছি? আমি কী দিয়েছি?
সব দিয়েছিস তো কাঁকর।
হুঁ? সব? হ্যাঁ, তা প্রায় সবই। ভালোবাসা, বিশ্বাস, তারুণ্য, অঢেল শারীরিক ক্ষমতা। গান, কবিতা। আমার দুটো কাঁধ, দুই চোখ।
হুঁ।
কী পেয়েছি?
কিছু না কাঁকর, কিছু না।
কেন? আমার কী কিছুই পাবার ছিল না?
ছিল, আমি দিতে পারিনি। ঠুঁটো জগন্নাথ যে।
কী করলে তাহলে এই একত্রিশ হাজার বছর ধরে?
তোর টবের গাছগুলোতে জল দিলাম। সেই যে গাছগুলো রেখে দিয়ে গিয়েছিলি? তারপর থেকে তো বৃষ্টি নেই। একফোঁটা বৃষ্টি নেই। রোজ মাটিকে বলতে হতো, জল দাও। আকাশকেও বলতে হতো, জল দাও। কাঁকর, তোর গাছগুলো কিন্তু মরেনি। বেঁচে আছে সবাই। এসে দেখবি?
কী করে ফিরবো? পথ ভুলে গেছি। অন্ধ।
ইচ্ছাকুটুমের ঘরে তো দেয়াল নেই। কাঁকর, দরজা নেই। এঘরে আসা যায়। বেরোনো যায় না। বেরোনো যায় না।
Comments